সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন

বহিষ্কারের প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন রুমিন ফারহানা,,

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

 

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক | ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন দলের সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা।

বহিষ্কারের আদেশটি তিনি পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনেই—যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের জন্য এক বেদনাবিধুর অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়ায় রুমিন ফারহানা বলেন, তিনি এমন এক রাজনৈতিক অভিভাবককে হারিয়েছেন, যাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি রাজনীতিতে এসেছিলেন।

তাঁর ভাষায়, খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু দলের নয়, গোটা জাতির জন্যই অপূরণীয় ক্ষতি।

তিনি জানান, খালেদা জিয়া গত ২৩ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হন।

তার কয়েক দিন আগে, ২০ নভেম্বর তাঁদের মধ্যে শেষবারের মতো কথা হয়।

সে সময় খালেদা জিয়া তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলেন—কেন তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি বলেও জানান রুমিন ফারহানা।

বহিষ্কারাদেশ পাওয়ার পরও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কথা জানান তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়ানো তাঁর কাছে আপসহীনতার প্রতীক—প্রবাহের বিপরীতে একা দাঁড়ানোর সাহস।

এই মানসিকতা তিনি তাঁর রাজনৈতিক নেত্রীর কাছ থেকেই শিখেছেন বলে মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন রুমিন ফারহানা।

তিনি সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে মনোনয়ন দাখিল করেন।

এই আসনে বিএনপি তাদের জোটসঙ্গী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম-এর প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে সমর্থন দিয়েছে।

তিনি দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি এবং খেজুর গাছ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

রুমিন ফারহানার বহিষ্কার ও তাঁর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।