শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

সরোয়ার আলমের পর এবার কি এসএমপি কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী? 

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

 

প্রকাশিত: ২৮-০৬-২০২৬

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মো. সরোয়ার আলম জনস্বার্থে নেওয়া একাধিক উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসেন।

i

দায়িত্ব পালনকালে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জনসেবা নিশ্চিতকরণ এবং বিভিন্ন অনিয়ম রোধে ধারাবাহিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তিনি।

সরোয়ার আলমের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলোর মধ্যে ছিল ট্রেনের টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণে অভিযান, সাধারণ মানুষের জন্য টিকিটপ্রাপ্তি সহজ করার প্রচেষ্টা, নগরীর ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক করা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ, প্রবাসীদের সুবিধার্থে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টেলিবুথ স্থাপন, সাদাপাথর এলাকা থেকে লুট হওয়া পাথর উদ্ধার ও সংরক্ষণ, সরকারি হাসপাতালগুলোতে দালালচক্র ও অনিয়ম কমানোর উদ্যোগ, সিলেট কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেটের দীর্ঘদিনের অনিয়ম দূর করার প্রচেষ্টা এবং হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দান ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পদক্ষেপ।

বিশেষ করে শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানের অর্থের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে তাকে সিলেটের জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দপ্তরবিহীন উপসচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়।

এদিকে বর্তমানে সিলেটে দায়িত্ব পালন করছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযান, অপরাধ দমন, অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে তিনিও আলোচনায় রয়েছেন।

এসব ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে—সরোয়ার আলমের পর এবার কি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীরও বদলি হতে পারে?

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকার বা সংশ্লিষ্ট কোনো দপ্তর থেকে কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর বদলি কিংবা প্রত্যাহার সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে যেসব আলোচনা চলছে, সেগুলো মূলত জনমতের প্রতিফলন ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন গুঞ্জনের ওপর ভিত্তি করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি কর্মকর্তাদের পদায়ন ও বদলি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিষয়। তাই এ ধরনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোনো উপসংহারে পৌঁছানো সমীচীন নয়।