
সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক | প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দীর্ঘ ১৭–১৮ বছরে মানুষের যে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, তা বাস্তবায়ন করাই নতুন সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

ছবি সংগৃহীত
দায়িত্ব গ্রহণের পর মন্ত্রণালয়ের চলমান ও ঝুলে থাকা কার্যক্রম পর্যালোচনা করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, “আমরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। নির্বাচনি ইশতেহারে যে অঙ্গীকার করেছি, সেটিই হবে আমাদের অগ্রাধিকার। পরিকল্পনাগুলো তিন ভাগে ভাগ করে বাস্তবায়ন করা হবে।
কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে অগ্রাধিকার
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকারদের কাজের সুযোগ বাড়ানোই হবে অন্যতম চ্যালেঞ্জ। পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরগুলোর কাজের তালিকা পর্যালোচনা করা হবে। এরপর কর্মসংস্থান বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিদেশি শ্রমবাজার সম্প্রসারণে উদ্যোগ
বিদেশি শ্রমবাজার সম্প্রসারণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন,
“কিছু বাজার সংকুচিত হয়েছে। আমাদের নতুন বাজার খুঁজে বের করতে হবে। বিদেশস্থ উইংগুলোর কার্যক্রম মূল্যায়ন করে কোথায় ঘাটতি রয়েছে তা চিহ্নিত করা হবে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “১০০ দিন পর যদি আপনারা জানতে চান আমরা কী করেছি, তখন স্পষ্টভাবে বলতে পারবো।
শ্রম অসন্তোষ নিরসনে সংলাপ
শ্রমিক অসন্তোষের বিষয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে ঈদের আগে যে অস্থিরতা দেখা যায়, তা মোকাবিলায় সরকার শ্রমিক, মালিক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে।
মন্ত্রী বলেন, “শ্রমিকরাই আমাদের নির্বাচিত করেছেন। তবে সব সমস্যার সমাধান এক মাসে সম্ভব নয়। ধাপে ধাপে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি শ্রমিকদের প্রত্যাশা পূরণে সরকারের আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করে পারস্পরিক সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।