
প্রকাশিত: ১৭ জুলাই ২০২৬
সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক
সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও অব্যাহত বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি আগামী কয়েক দিনে বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) প্রকাশিত বৃষ্টিপাত, নদ-নদীর পরিস্থিতি ও বন্যা পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি কিছুটা কমলেও আগামী তিন দিনের মধ্যে আবারও বৃদ্ধি পেতে পারে। কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলে সংশ্লিষ্ট জেলার নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গত ২৪ ঘণ্টায় কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও সুরমা নদীর পানি কিছুটা কমেছে। আগামী তিন দিনে উভয় নদীর পানিই বাড়তে পারে। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি মোটামুটি স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রটি।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধারা আগামী পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার কিছু এলাকায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে ফেনী, মুহুরি, গোমতী ও সেলোনিয়া নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী এক দিনে এসব নদীর পানি কিছুটা বাড়লেও পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র নদী তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকে সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়েছে।