রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
‘নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা’, মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় ৬ জনের নামে মামলা সিলেটের উন্নয়নের রূপকার এম. সাইফুর রহমান: স্মৃতিতে অমলিন, কর্মে চিরঞ্জীব, সুনামগঞ্জে লাশ নিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স খাদে, নারী ও শিশুসহ আহত ৮ মুন্নির মৃত্যুর রহস্যে নতুন তথ্য, যা আছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে সিলেটে কিশোর ও যুবকের মরদেহ উদ্ধার, ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নাসের রহমান দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার ঘোষণা নিয়ে মালয়েশিয়ার আপত্তি শেরপুর ফাঁড়ি পুলিশের অভিযানে এক কেজি গাঁজাসহ আটক ৪ বড়লেখা সীমান্তে ১ হাজার ৭৭০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন আটক মৌলভীবাজার চলন্ত টমটম থেকে লাফ, কলেজছাত্রীর ২ দাঁত ভাঙল

সুনামগঞ্জে লাশ নিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স খাদে, নারী ও শিশুসহ আহত ৮

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

 

সিলেটি চ্যানেল | প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা থেকে মরদেহ নিয়ে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের শান্তিগঞ্জ উপজেলার সদরপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক গ্রামের হেলাল মিয়ার মেয়ে নাদিয়া আক্তার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঢাকায় মারা যান। পরে শনিবার সকালে স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে শান্তিগঞ্জ উপজেলার সদরপুর এলাকায় পৌঁছালে অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় এক পথচারী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। খবর পেয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালান। তারা খাদে পড়ে থাকা অ্যাম্বুলেন্স থেকে মরদেহ ও আহত যাত্রীদের উদ্ধার করেন।

শান্তিগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মো. ফজল মিয়া জানান, অ্যাম্বুলেন্সটিতে মরদেহের সঙ্গে ১০ থেকে ১২ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অন্য একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে জামালগঞ্জে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, আরটিভির প্রতিবেদনে আহতের সংখ্যা ১৩ জন উল্লেখ করা হয়েছে এবং আহতদের নামও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, অ্যাম্বুলেন্সে দুই পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি চালকও ছিলেন এবং দুর্ঘটনার পর সবাইকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

নিহত নাদিয়া আক্তারের চাচা কাজল মিয়া জানান, নাদিয়া ঢাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার পর তার মরদেহ নিয়ে স্বজনরা গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে অ্যাম্বুলেন্সটি খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সে থাকা সবাই আহত হলেও বড় ধরনের বিপদ থেকে তারা রক্ষা পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত উদ্ধার তৎপরতায় মরদেহসহ আহতদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জামালগঞ্জের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়।

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক