
সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক| প্রকাশিত: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,
পটুয়াখালীর একটি এলাকায় স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন সেক্রেটারিকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা, অপহরণ এবং তাঁর গর্ভবতী স্ত্রীর পেটে লাথি মারার ঘটনা জাতীয়ভাবে নিন্দিত ও ন্যাক্কারজনক বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নূরুন্নিসা সিদ্দীকা এক বিবৃতিতে বলেন,

ছবি সংগৃহীত
একজন গর্ভবতী নারীর ওপর এই পাশবিক আক্রমণ মানবতা ও সভ্যতার ইতিহাসে এক জঘন্যতম কলঙ্ক।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় ইউনিয়ন সেক্রেটারিকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করা এবং অপহরণ করা হয়েছে, পাশাপাশি তাঁর গর্ভবতী স্ত্রী—যিনি নিজেও জামায়াতের মহিলা বিভাগের দায়িত্বশীল—তার পেটে লাথি মারার ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, একজন গর্ভবতী নারীর ওপর এমন সহিংসতা রাজনৈতিক শিষ্টাচার তো দূরের কথা, ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধও হারিয়ে ফেলার প্রমাণ। নারীর মর্যাদা, মাতৃত্বের সম্মান এবং অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা পদদলিত করে এই সহিংসতা কোনোভাবেই ক্ষমার যোগ্য নয়।
এ ঘটনায় দ্রুত অপহৃত জামায়াত নেতার নিরাপদ মুক্তি, আহত দম্পতির যথাযথ চিকিৎসা এবং তাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতির শেষাংশে দেশবাসী ও নারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে:
এই নারকীয় সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন। আজ যদি আমরা নীরব থাকি, আগামীতে কোনো মা-বোনই নিরাপদ থাকবে না। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে—ইনশাআল্লাহ।”