বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সিলেটে শিশুদের বলাৎকারের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক বললেন, ‘মহিলাদের ভাল্লাগে না’ সিলেটে কিশোরীকে শিকল বেঁধে সড়কে হাঁটানোর অভিযোগ, জড়িতদের নিয়ে প্রশ্ন সিলেটে চিকিৎসক প্রান্তের মৃত্যু: নতুন বাসায় ওঠার পরদিনই মৃত্যু, উঠছে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ায় স্ত্রী-সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে হামলার শিকার শওকত, থানায় অভিযোগ, ‘নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা’, মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় ৬ জনের নামে মামলা সিলেটের উন্নয়নের রূপকার এম. সাইফুর রহমান: স্মৃতিতে অমলিন, কর্মে চিরঞ্জীব, সুনামগঞ্জে লাশ নিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স খাদে, নারী ও শিশুসহ আহত ৮ মুন্নির মৃত্যুর রহস্যে নতুন তথ্য, যা আছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে সিলেটে কিশোর ও যুবকের মরদেহ উদ্ধার, ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নাসের রহমান

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ: হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যা, সাতজন গ্রেপ্তার

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

 

প্রকাশিত: ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
স্থান: ময়মনসিংহ, ভালুকা

ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক হিন্দু ধর্মাবলম্বী যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় র‌্যাব সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার রাতে জামিরদিয়া এলাকার পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস বিডি লিমিটেড কোম্পানির কর্মচারী দিপু দাস (২৮) কে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর দিপুর লাশ গাছের ডালে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
দিপু তারাকান্দা উপজেলার মোকামিয়া কান্দা গ্রামের রবি চন্দ্র দাস এর ছেলে। তিনি ওই কোম্পানিতে দুই বছর ধরে কাজ করছিলেন এবং সহকর্মীদের মধ্যে পরিচিত ছিলেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়
র‌্যাব-১৪ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের বরাত দিয়ে জানা যায়, গ্রেপ্তাররা হলেন:
মো. লিমন সরকার (১৯)
মো. তারেক হোসেন (১৯)
মো. মানিক মিয়া (২০)
এরশাদ আলী (৩৯)
নিজুম উদ্দিন (২০)
আলমগীর হোসেন (৩৮)
মো. মিরাজ হোসেন আকন (৪৬)
র‌্যাবের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছেন। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
ঘটনার পটভূমি
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত দিপু দাসের সঙ্গে কিছুদিন ধরে সহকর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে তাকে গ্রুপ আক্রমণের মাধ্যমে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
মৃত্যুর পর দিপুর লাশ জোরপূর্বক গাছের ডালে বেঁধে আগুন ধরানো হয়, যা স্থানীয়দের মধ্যে ভয় এবং আতঙ্কের সৃষ্টি করে।
প্রতিক্রিয়া
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা র‌্যাবের পদক্ষেপকে প্রশংসা করেছেন। তবে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটতে পারে এবং ভবিষ্যতে এরকম ঘটনা রোধের জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।