বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সিলেটে শিশুদের বলাৎকারের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক বললেন, ‘মহিলাদের ভাল্লাগে না’ সিলেটে কিশোরীকে শিকল বেঁধে সড়কে হাঁটানোর অভিযোগ, জড়িতদের নিয়ে প্রশ্ন সিলেটে চিকিৎসক প্রান্তের মৃত্যু: নতুন বাসায় ওঠার পরদিনই মৃত্যু, উঠছে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ায় স্ত্রী-সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে হামলার শিকার শওকত, থানায় অভিযোগ, ‘নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা’, মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় ৬ জনের নামে মামলা সিলেটের উন্নয়নের রূপকার এম. সাইফুর রহমান: স্মৃতিতে অমলিন, কর্মে চিরঞ্জীব, সুনামগঞ্জে লাশ নিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স খাদে, নারী ও শিশুসহ আহত ৮ মুন্নির মৃত্যুর রহস্যে নতুন তথ্য, যা আছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে সিলেটে কিশোর ও যুবকের মরদেহ উদ্ধার, ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নাসের রহমান

গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে শেখ হাসিনা ও ১২ সেনা কর্মকর্তার বিচার শুরুর নির্দেশ

Reporter Name

 

অনলাইন ডেস্ক | ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ৪:৩৬  পি এম

জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) সংশ্লিষ্ট গুম ও নির্যাতনের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং সাবেক ও বর্তমান মোট ১১ জন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর ২০২৫) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এর বিচারিক প্যানেল আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ গঠন করে এই আদেশ দেন।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, এই মামলায় আগামী ১৯ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। বৃহস্পতিবারের শুনানিতে গ্রেফতার থাকা তিনজন সেনা কর্মকর্তা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটির অভিযোগ গঠনের শুনানি উপস্থাপন করে। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে অন্তত ২৬ জনকে গুম করে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন করা হয়। এ ঘটনায় মোট পাঁচটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করে, জেআইসি সেলে শত শত মানুষকে অবৈধভাবে আটক রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের শিকারদের মধ্যে আবদুল্লাহিল আমান আযমী ও মাইকেল চাকমাসহ ২৬ জন পরবর্তীতে মুক্তি পান। রাষ্ট্রপক্ষের মতে, গুমের নির্দেশনা দিতেন শেখ হাসিনা এবং তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক সেনা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতেন।

শুনানি শেষে শেখ হাসিনা, তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ অন্যান্য আসামিদের পক্ষে আইনজীবীরা অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন।

এই মামলায় শেখ হাসিনা ও তারিক আহমেদ সিদ্দিক ছাড়াও ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচজন মহাপরিচালক, পাঁচজন পরিচালক এবং একজন সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেলকে আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে এই মামলায় তিনজন আসামি গ্রেফতার রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে।