মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কমলগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে টমটম, চালক নিখোঁজ শ্রীমঙ্গলে ২১ বোতল ভারতীয় মদসহ ৩ জন গ্রেপ্তার জৈন্তাপুরে লরি থেকে পড়ে যাওয়া এস্কেভেটরের চাপায় চালকের মৃত্যু সিলেটে শিশুদের বলাৎকারের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক বললেন, ‘মহিলাদের ভাল্লাগে না’ সিলেটে কিশোরীকে শিকল বেঁধে সড়কে হাঁটানোর অভিযোগ, জড়িতদের নিয়ে প্রশ্ন সিলেটে চিকিৎসক প্রান্তের মৃত্যু: নতুন বাসায় ওঠার পরদিনই মৃত্যু, উঠছে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ায় স্ত্রী-সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে হামলার শিকার শওকত, থানায় অভিযোগ, ‘নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা’, মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় ৬ জনের নামে মামলা সিলেটের উন্নয়নের রূপকার এম. সাইফুর রহমান: স্মৃতিতে অমলিন, কর্মে চিরঞ্জীব, সুনামগঞ্জে লাশ নিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স খাদে, নারী ও শিশুসহ আহত ৮

শ্রীমঙ্গলে ২১ বোতল ভারতীয় মদসহ ৩ জন গ্রেপ্তার

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

 

প্রকাশিত : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক 

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ২১ বোতল ভারতীয় মদসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে শ্রীমঙ্গল থানাধীন ৮ নম্বর রাজঘাট ইউনিয়নের হরিণছড়া চা বাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—হরিণছড়া চা বাগানের স্টাফ লাইনের জলিল মিয়ার ছেলে জমির মিয়া (৩০), গারো লাইনের মৃত মতিন মিয়ার ছেলে জিলু মিয়া (২৭) এবং স্টাফ লাইনের মৃত জয়নাল মিয়ার ছেলে মো. নুর হোসেন (২৯)।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, হরিণছড়া চা বাগানের বাসিন্দা জমির মিয়ার বসতঘরে বিদেশি মদ ক্রয়-বিক্রয় করা হচ্ছে। পরে শ্রীমঙ্গল থানার এসআই (নিরস্ত্র) সজীব চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।

অভিযানের সময় তিনজনকে আটক করার পর বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় জমির মিয়ার দেখানো ও তাঁর নিজ হাতে বের করে দেওয়া একটি সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগের ভেতর থেকে ২১ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগটি বসতঘরের খাটের নিচে রাখা ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

উদ্ধার করা মদের মধ্যে রয়েছে ৭৫০ মিলিলিটারের ১০ বোতল MASTER BLENDER’S SIGNATURE WHISKY, ৩৭৫ মিলিলিটারের ৬ বোতল McDowell’s SUPERIOR NO.1 QUALITY LUXURY BLENDER WHISKY এবং ৩৭৫ মিলিলিটারের ৫ বোতল SEAGRAM’S BLENDERS PRIDE।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছে উদ্ধার করা মদের বৈধ কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা পরস্পর যোগসাজশে বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব বিদেশি মদ নিজেদের হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার জমির মিয়া, জিলু মিয়া ও মো. নুর হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক