মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কমলগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে টমটম, চালক নিখোঁজ শ্রীমঙ্গলে ২১ বোতল ভারতীয় মদসহ ৩ জন গ্রেপ্তার জৈন্তাপুরে লরি থেকে পড়ে যাওয়া এস্কেভেটরের চাপায় চালকের মৃত্যু সিলেটে শিশুদের বলাৎকারের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক বললেন, ‘মহিলাদের ভাল্লাগে না’ সিলেটে কিশোরীকে শিকল বেঁধে সড়কে হাঁটানোর অভিযোগ, জড়িতদের নিয়ে প্রশ্ন সিলেটে চিকিৎসক প্রান্তের মৃত্যু: নতুন বাসায় ওঠার পরদিনই মৃত্যু, উঠছে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ায় স্ত্রী-সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে হামলার শিকার শওকত, থানায় অভিযোগ, ‘নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা’, মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় ৬ জনের নামে মামলা সিলেটের উন্নয়নের রূপকার এম. সাইফুর রহমান: স্মৃতিতে অমলিন, কর্মে চিরঞ্জীব, সুনামগঞ্জে লাশ নিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স খাদে, নারী ও শিশুসহ আহত ৮

সুরমা–কুশিয়ারা বিপৎসীমার ওপরে, সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা আশঙ্কা,

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

 

প্রকাশিত: ২০ জুলাই ২০২৬
সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সিলেট বিভাগের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি আবারও বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ৯টার বুলেটিন অনুযায়ী, সুরমা নদীর ছাতক পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৩০ সেন্টিমিটার এবং মারকুলি পয়েন্টে ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদীর পানি বেড়েছে এবং কুশিয়ারা নদীর পানি কিছুটা কমলেও আগামী তিন দিন দুই নদীর পানিই আবার বাড়তে পারে। ফলে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আরও কয়েকটি স্থানে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। ইতোমধ্যে প্লাবিত এলাকাগুলোর বন্যা পরিস্থিতিও আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে সিলেট বিভাগের সারিগোয়াইনযাদুকাটা নদীর পানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় এসব নদীর কিছু পয়েন্টেও পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল নতুন করে প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের মেঘালয়আসামে গত ২৪ ঘণ্টায় অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। মেঘালয়ের উইলিয়ামনগরে ৩৭১ মিলিমিটার, চেরাপুঞ্জিতে ২৭৯ মিলিমিটার, আর. কে. এম. সোহরায় ২৮২ মিলিমিটার এবং আসামের গোয়াহাটিতে ১৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। উজানে এই ভারী বর্ষণের প্রভাবেই সিলেট অঞ্চলের নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নদীসংলগ্ন ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।