মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
৫.৯০ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ! গ্রেপ্তার ৩, অধরাই মূলহোতারা চা শ্রমিক ইউনিয়নের দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন জগন্নাথপুরে কীর্তন শেষে ফেরার পথে নৌকাডুবি: ২ জনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ আরও ২ তারেক রহমান দেশ চালাতে পারবেন না, উনি পরীক্ষায় ফেল করেছেন, তারেক রহমান কি জুলাইযোদ্ধাদের মেরে ফেলতে চান?’— প্রশ্ন এনসিপির ডা. মাহমুদা মিতুর হবিগঞ্জ শহরে ঢুকতে না পেরে রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র এলাকার রাস্তায় অবস্থান এনসিপির হামলার শিকার নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী ও সারজিস, আহত একাধিক সাংবাদিক সিলেটে একই দিনে পৃথক দুই সহিংসতায় স্কুলছাত্র ও যুবক নিহত, আহত কয়েকজন শেখ হাসিনার সঙ্গে ‘গোপনে ফোনালাপ’, পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতের আমন্ত্রণ

অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বনায়ন প্রকল্পের গাছ ছিনতাই,

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় বনায়ন প্রকল্পের গাছ কেটে নেওয়ার সময় শ্রমিকদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বিপুল পরিমাণ গাছ ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

মামলার সূত্রে জানা যায়, চুনারুঘাট উপজেলার “চুনারুঘাট যুব সমবায় সমিতি লিমিটেড” কর্তৃক বাস্তবায়িত মুক্তবাংলা বনায়ন প্রকল্প”–এর আওতায় বনায়ন কর্তৃপক্ষ ৩২টি ম্যানজিয়াম গাছ বিক্রির ঘোষণা দেয়। এ গাছগুলো ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় ক্রয় করেন মুশফিকুর রহমান খসরু ও ফুলমিয়া।

গত ১৪ জানুয়ারি সকাল ৭টা থেকে ১১টার মধ্যে শ্রমিকরা ২৫টি গাছ কেটে সড়কের পাশে ফেলে রাখেন। এ সময় লুৎফুর রহমান (পিতা: মৌলভী এজহার উদ্দিন, সাং–বাদশারগাঁও) অজ্ঞাতনামা আরও ১০–১২ জনকে সঙ্গে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শ্রমিকদের জিম্মি করেন।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা কাটা গাছ দুটি ট্রাক্টরে তুলে নেয়। এর মধ্যে একটি ট্রাক্টর দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। অপর ট্রাক্টরটি লোড অবস্থায় থানা পুলিশ ও বন বিভাগের হস্তক্ষেপে আটক করা হয়। জব্দ করা ৪৩ টুকরা কাঠ পরে চুনারুঘাট ফরেস্ট অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।

ঘটনার পর প্রকল্প পরিচালক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান আদালতের শরণাপন্ন হন। তিনি হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (খগ–২)-এ সিআর মামলা নং–৪৮/২৬ দায়ের করেন। আদালত বন বিভাগের জব্দকৃত মালামাল উদ্ধারসহ ছিনতাই হওয়া গাছের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, প্রকল্পের সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী স্বল্পমেয়াদি ম্যানজিয়াম ও আকাশমনি গাছের সংখ্যা ছিল ১,৪৪৫টি। এর মধ্যে ৮০০টি গাছ কাটার পর প্রকল্প পরিচালক অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় গাছ বিক্রির লভ্যাংশের ১৫ শতাংশ (৪৫ হাজার টাকা) সরকারি তহবিলে জমা দিয়ে চিকিৎসার জন্য তিনি ভারতে অবস্থান করছিলেন।

এই সুযোগে ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবরের মধ্যে লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে আরও ১৫–১৬ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি প্রকল্প থেকে প্রায় ৪০০টি ম্যানজিয়াম, ১৫টি মেহগনি ও ৮৫টি আকাশমনি গাছ চুরি করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়। এসব গাছের বর্তমান বাজারমূল্য ১২ লাখ টাকারও বেশি বলে দাবি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আগে সিআর মামলা নং–৬৪৮/২৪ দায়ের করা হয়েছিল, যা বর্তমানে পিবিআই-এর তদন্তাধীন রয়েছে।