বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
তামাবিল দিয়ে ভারতে পাঠানো হলো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিহত নারীর মরদেহ তরুণ-তরুণীর ছবি ছড়িয়ে ধর্মীয় পরিচয়ে হেনস্তার অভিযোগ, মেহমান রেস্টুরেন্টের দুই কর্মী গ্রেপ্তার মৌলভীবাজারে সীমানা পিলার ও প্রাচীন কয়েনের প্রলোভনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৪ শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ধর্মীয় শিক্ষার কথা বলে স্কুলছাত্রকে মাদ্রাসায় নেওয়ার অভিযোগ, হবিগঞ্জে শিক্ষক কারাগারে মৌলভীবাজারে দোকানের ক্যাশ থেকে ২ লাখ টাকার বেশি চুরি শ্রীমঙ্গলে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ কমলগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে পাঁচ দিন আটকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ শাহজালাল মাজারের দানবাক্সের হিসাব: এবার সব রেকর্ড ছাড়াল

গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে শেখ হাসিনা ও ১২ সেনা কর্মকর্তার বিচার শুরুর নির্দেশ

Reporter Name

 

অনলাইন ডেস্ক | ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ৪:৩৬  পি এম

জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) সংশ্লিষ্ট গুম ও নির্যাতনের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং সাবেক ও বর্তমান মোট ১১ জন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর ২০২৫) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এর বিচারিক প্যানেল আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ গঠন করে এই আদেশ দেন।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, এই মামলায় আগামী ১৯ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। বৃহস্পতিবারের শুনানিতে গ্রেফতার থাকা তিনজন সেনা কর্মকর্তা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটির অভিযোগ গঠনের শুনানি উপস্থাপন করে। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে অন্তত ২৬ জনকে গুম করে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন করা হয়। এ ঘটনায় মোট পাঁচটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করে, জেআইসি সেলে শত শত মানুষকে অবৈধভাবে আটক রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের শিকারদের মধ্যে আবদুল্লাহিল আমান আযমী ও মাইকেল চাকমাসহ ২৬ জন পরবর্তীতে মুক্তি পান। রাষ্ট্রপক্ষের মতে, গুমের নির্দেশনা দিতেন শেখ হাসিনা এবং তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক সেনা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতেন।

শুনানি শেষে শেখ হাসিনা, তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ অন্যান্য আসামিদের পক্ষে আইনজীবীরা অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন।

এই মামলায় শেখ হাসিনা ও তারিক আহমেদ সিদ্দিক ছাড়াও ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচজন মহাপরিচালক, পাঁচজন পরিচালক এবং একজন সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেলকে আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে এই মামলায় তিনজন আসামি গ্রেফতার রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে।