
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থানার পানাইলে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে তুমুল মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে গুরুতর জখম হয়েছেন তিনজন, আর এক জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় গুরুতর রক্তক্ষয়ী জখম হয়েছেন অরবিন্দু দাশ, তরুন দাস ও জীবন দাস।

ছবি সংগৃহীত
আহতদের মধ্যে অরবিন্দু ও তরুন দাস মৃত অমূল্য চরন দাশের ছেলে, আর জীবন দাস গিদু দাশের ছেলে। তারা সবাই পানাইল পুরান পাড়ার বাসিন্দা।
ঘটনার দিন, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি, আহতদের আত্মীয় অরুন দাস থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে রিপন দাশ (৩০), মো. আব্দুল্লাহ (৩০) সহ মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন বকুল দাস (৫২), বাকিরা পলাতক রয়েছেন।
দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, “অরবিন্দু দাশের সঙ্গে প্রতিবেশী রিপন দাশদের পূর্ব বিরোধ ও মামলা রয়েছে। এই জমি বিরোধের সূত্রেই আজকের মারামারি ঘটেছে। আইন অনুযায়ী সকল দোষীদের বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
আহত অরবিন্দু দাশ বলেন, “আমাদের পারিবারিক জমি নিয়ে পূর্বে আদালতের মাধ্যমে বিরোধ সমাধান হয়েছে। কিন্তু রিপন দাশ ও তার সন্ত্রাসীরা আমাদের প্রাণনাশের জন্য বাজারে এসে হামলা চালায়। আমরা বেঁচে গেলাম। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও আসামিদের শাস্তি দাবি করি
অপর আহত তরুন দাসের পরিবার জানান, মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে তার ২০টি সেলাই পড়েছে। তিনি বর্তমানে ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।