বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কমলগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে টমটম, চালক নিখোঁজ শ্রীমঙ্গলে ২১ বোতল ভারতীয় মদসহ ৩ জন গ্রেপ্তার জৈন্তাপুরে লরি থেকে পড়ে যাওয়া এস্কেভেটরের চাপায় চালকের মৃত্যু সিলেটে শিশুদের বলাৎকারের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক বললেন, ‘মহিলাদের ভাল্লাগে না’ সিলেটে কিশোরীকে শিকল বেঁধে সড়কে হাঁটানোর অভিযোগ, জড়িতদের নিয়ে প্রশ্ন সিলেটে চিকিৎসক প্রান্তের মৃত্যু: নতুন বাসায় ওঠার পরদিনই মৃত্যু, উঠছে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ায় স্ত্রী-সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে হামলার শিকার শওকত, থানায় অভিযোগ, ‘নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা’, মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় ৬ জনের নামে মামলা সিলেটের উন্নয়নের রূপকার এম. সাইফুর রহমান: স্মৃতিতে অমলিন, কর্মে চিরঞ্জীব, সুনামগঞ্জে লাশ নিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স খাদে, নারী ও শিশুসহ আহত ৮

দোয়ারায় জমি নিয়ে বিরোধে মারামারি, আহত ৩, গ্রেপ্তার ১

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত

 

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থানার পানাইলে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে তুমুল মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে গুরুতর জখম হয়েছেন তিনজন, আর এক জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় গুরুতর রক্তক্ষয়ী জখম হয়েছেন অরবিন্দু দাশ, তরুন দাস ও জীবন দাস।

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

আহতদের মধ্যে অরবিন্দু ও তরুন দাস মৃত অমূল্য চরন দাশের ছেলে, আর জীবন দাস গিদু দাশের ছেলে। তারা সবাই পানাইল পুরান পাড়ার বাসিন্দা।

ঘটনার দিন, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি, আহতদের আত্মীয় অরুন দাস থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে রিপন দাশ (৩০), মো. আব্দুল্লাহ (৩০) সহ মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন বকুল দাস (৫২), বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, “অরবিন্দু দাশের সঙ্গে প্রতিবেশী রিপন দাশদের পূর্ব বিরোধ ও মামলা রয়েছে। এই জমি বিরোধের সূত্রেই আজকের মারামারি ঘটেছে। আইন অনুযায়ী সকল দোষীদের বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

আহত অরবিন্দু দাশ বলেন, “আমাদের পারিবারিক জমি নিয়ে পূর্বে আদালতের মাধ্যমে বিরোধ সমাধান হয়েছে। কিন্তু রিপন দাশ ও তার সন্ত্রাসীরা আমাদের প্রাণনাশের জন্য বাজারে এসে হামলা চালায়। আমরা বেঁচে গেলাম। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও আসামিদের শাস্তি দাবি করি

অপর আহত তরুন দাসের পরিবার জানান, মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে তার ২০টি সেলাই পড়েছে। তিনি বর্তমানে ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গ্রেপ্তার বকুল দাশের মেয়ে অমি দাশ বলেন, “বাবা এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। মারামারির সময় তিনি চানাচুর বিক্রি করছিলেন। পরে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে নিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসন কার্যক্রম শুরু করেছে এবং ঘটনাস্থলেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।