বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
তামাবিল দিয়ে ভারতে পাঠানো হলো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিহত নারীর মরদেহ তরুণ-তরুণীর ছবি ছড়িয়ে ধর্মীয় পরিচয়ে হেনস্তার অভিযোগ, মেহমান রেস্টুরেন্টের দুই কর্মী গ্রেপ্তার মৌলভীবাজারে সীমানা পিলার ও প্রাচীন কয়েনের প্রলোভনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৪ শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ধর্মীয় শিক্ষার কথা বলে স্কুলছাত্রকে মাদ্রাসায় নেওয়ার অভিযোগ, হবিগঞ্জে শিক্ষক কারাগারে মৌলভীবাজারে দোকানের ক্যাশ থেকে ২ লাখ টাকার বেশি চুরি শ্রীমঙ্গলে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ কমলগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে পাঁচ দিন আটকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ শাহজালাল মাজারের দানবাক্সের হিসাব: এবার সব রেকর্ড ছাড়াল

আর শ্বাস নিতে পারছি না, আমাকে মে’রে ফে’ল’ছো আটকা পড়া ডেইলি স্টার সাংবাদিক

ঢাকা প্রতিনিধ

ঢাকা প্রতিনিধি। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:২৩

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় অবস্থিত দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকার ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে বিক্ষুব্ধ কয়েকজন ব্যক্তি প্রথমে প্রথম আলো ভবনে এবং পরে ডেইলি স্টার ভবনে আগুন দেয়।

অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ডেইলি স্টার ভবনের ভেতরে বহু সাংবাদিক ও সংবাদকর্মী আটকা পড়েন। আগুন ও ধোঁয়ার কারণে ভবনের ভেতরে আতঙ্ককর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অনেক সংবাদকর্মী নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ভবনের ছাদে উঠে যান।

এ সময় ভবনের ভেতরে আটকা পড়া ডেইলি স্টারের সাংবাদিক জাইমা ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন,
“আমি আর শ্বাস নিতে পারছি না। চারদিকে খুব বেশি ধোঁয়া। আমি ভেতরে আটকে আছি। তোমরা আমাকে মেরে ফেলছ।”

ডেইলি স্টারের সাংবাদিক রাকিবুল হক ও রাকসান্দা রহমান জানান, আগুন লাগার পর ভবনের ভেতরে থাকা অনেকেই বের হতে পারেননি। নিরাপত্তার জন্য সবাই ছাদের দিকে চলে যেতে বাধ্য হন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। তারা ধোঁয়ার মধ্য থেকে আটকে পড়া সাংবাদিকদের নিরাপদে বের করে আনার চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে।

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং কী কারণে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে—তা তদন্ত করে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।