মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তরুণ-তরুণীর ছবি ছড়িয়ে ধর্মীয় পরিচয়ে হেনস্তার অভিযোগ, মেহমান রেস্টুরেন্টের দুই কর্মী গ্রেপ্তার মৌলভীবাজারে সীমানা পিলার ও প্রাচীন কয়েনের প্রলোভনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৪ শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ধর্মীয় শিক্ষার কথা বলে স্কুলছাত্রকে মাদ্রাসায় নেওয়ার অভিযোগ, হবিগঞ্জে শিক্ষক কারাগারে মৌলভীবাজারে দোকানের ক্যাশ থেকে ২ লাখ টাকার বেশি চুরি শ্রীমঙ্গলে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ কমলগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে পাঁচ দিন আটকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ শাহজালাল মাজারের দানবাক্সের হিসাব: এবার সব রেকর্ড ছাড়াল জুড়ীতে সিএনজি চালক বলাই হত্যা: রহস্য উন্মোচন, মা-মেয়ে গ্রেপ্তার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন: পরবর্তী সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট,

সিলেটি চ্যানেল প্রতিনিধি

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক প্রকাশিত : ২০২৫-১২-০৩

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পরবর্তী সব কার্যক্রম স্থগিত করার দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করা হয়েছে। বাংলাদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দলটির মহাসচিব ও আইনজীবী মো. ইয়ারুল ইসলাম আজ বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করেন।

আইনজীবী মো. ইয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন, রিটটি বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি রাজিউদ্দিন আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যে রিটের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে।

 

এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জানিয়েছে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জাতীয় সনদ বিষয়ক গণভোট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যেই বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন গত শনিবার জানান, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। তিনি আরও জানান, কমিশন সব প্রস্তুতি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে সমন্বয় করে এগিয়ে নিচ্ছে।

রিটের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের পরবর্তী ধাপ স্থগিত করার দাবি তোলায় রাজনৈতিক মহলে সরগরম আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাইকোর্টের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে নির্বাচন আয়োজনের সঠিক সময়সূচি এবং প্রক্রিয়া। আদালতের নির্দেশনা ছাড়া নির্বাচন কার্যক্রমের কোনো পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব নয়।

নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে রোল যাচাই, কেন্দ্রীয় কর্মী নিয়োগ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রস্তুতি সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে এখন মূল প্রশ্ন হলো, রিটের শুনানি ও আদালতের সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর কী প্রভাব ফেলবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই রিট যে কোনও সময়সূচি পরিবর্তন বা স্থগিত করতে পারে।