রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শাহজালালের মাজারে পঞ্চম দফার গণনায় মিলল ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা, পাঁচ দফায় মোট ৩ কোটি ১৩ লাখ সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার কামাল আহমদকে, শ্রীমঙ্গলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেটকার দুর্ঘটনা, শিশুর মৃত্যু, আহত ৩ সুনামগঞ্জে বৃদ্ধ মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ছেলে নুরু আলম আটক শ্রীমঙ্গলে ইয়াবা ও বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ৩, অভিযানে কর্মকর্তাকে কামড় সিলেটে হাসপাতালের ভেতরে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে সুমেল খাঁর যাবজ্জীবন মৌলভীবাজারে তরুণীসহ অনয় দেবনাথকে আটকের দাবি, মোবাইল ফোনে আপত্তিকর ভিডিও সিলেটের গোয়াইনঘাটে বদরুল আলম নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা শ্রীমঙ্গলে পুলিশের অভিযান, ২৯ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার তাহিরপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পাঁচ গ্রামের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

সুনামগঞ্জে বৃদ্ধ মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ছেলে নুরু আলম আটক

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

 

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে নিজ বসতঘরে ৭০ বছর বয়সী মাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে নুরু আলমকে (৪৫) আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের কাইয়ারগাঁও মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রেজিয়া খাতুন (৭০) ওই গ্রামের মৃত হাসান উদ্দিনের স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভোরে তাঁদের টিনের বসতঘরে পারিবারিক কলহের জেরে মা ও ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বড় ছেলে নুরু আলম ধারালো দা দিয়ে মায়ের ঘাড়ের পেছনে কোপ দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই রেজিয়া খাতুনের মৃত্যু হয়।

ঘটনাস্থল থেকে ছেলে আটক

ঘটনার খবর পেয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত নুরু আলমকে আটক করা হয়। পরে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

তদন্তের কথা জানিয়েছে পুলিশ

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানিয়েছেন, এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় ছেলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রকৃত সত্যতা তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। ঘটনার কারণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।