সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চা শ্রমিক ইউনিয়নের দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন জগন্নাথপুরে কীর্তন শেষে ফেরার পথে নৌকাডুবি: ২ জনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ আরও ২ তারেক রহমান দেশ চালাতে পারবেন না, উনি পরীক্ষায় ফেল করেছেন, তারেক রহমান কি জুলাইযোদ্ধাদের মেরে ফেলতে চান?’— প্রশ্ন এনসিপির ডা. মাহমুদা মিতুর হবিগঞ্জ শহরে ঢুকতে না পেরে রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র এলাকার রাস্তায় অবস্থান এনসিপির হামলার শিকার নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী ও সারজিস, আহত একাধিক সাংবাদিক সিলেটে একই দিনে পৃথক দুই সহিংসতায় স্কুলছাত্র ও যুবক নিহত, আহত কয়েকজন শেখ হাসিনার সঙ্গে ‘গোপনে ফোনালাপ’, পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতের আমন্ত্রণ হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন,

কাউয়াদিঘি হাওরে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের দাবিতে মানববন্ধন!

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

প্রকাশিত ৮ জুলাই ২০২৬ সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

হাওর রক্ষা আন্দোলন রাজনগর উপজেলা শাখার উদ‍্যোগে কাউয়াদিঘি হাওরের পানি দেড় থেকে দুই ফুট কমিনোর দাবিতে ৮ জুলাই বুধবার বেলা ১ ঘটিকার সময় রাজনগর উপজেলা কম্পাউন্ডে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

হাওর আন্দোলন রাজনগর উপজেলা শাখার আহবায়ক সামছুদ্দিন মাস্টারের সভাপতিত্বে হাওর রক্ষা আন্দোলনের নির্বাহী সদস্য আলমগীর হোসেনের পরিচলনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাওর রক্ষা আন্দোলনের জেলা শাখার আহবায়ক আ স ম ছালেহ সোহেল, সদস্যসচিব এম খছরু চৌধুরী, হাওর রক্ষা আন্দোলনের নেতা এবং মুন্সীবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আশিক মিয়া, জেলা কমিটির নির্বাহী সদস্য দেওয়ান মোনাকিব চৌধুরী সহ বিভিন্ন গ্রামের কৃষক নেতারা

বক্তারা বলেন, কাউয়াদিঘি হাওরের মনুসেচ প্রকল্প নিয়ে ব্যবসা শুরু হয়েছে।

প্রকল্পের আসল উদ্দেশ্য খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য ব্যাহত করে কৃষকদের পেটে লাথি মারা হচ্ছে। এই অপকর্মের সুবিধাভোগীরা মনুসেচ প্রকল্প কার্যকর হতে দিচ্ছে না।

পানির লেভেল নির্ধারণে শুভংকরের ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্প শুরুতে পানির যে লেভেল নির্ধারণ করা হয়েছিল, ১৯৮০ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত হাওরের পানি যে লেভেলে রাখা হয়েছিলন – ১৯৮৪ সালের বন্যার পর থেকে সেটা আর মানা হচ্ছে না।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসন হাওর লুটেরাদের কথা মতো মনু সেচ প্রকল্প পরিচালনা করছে।

এতে কৃষকের বোরো ধান অতিবৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায়, শাইল ও আমন ধানের ফসলও আগের মতো রোপন করা যায় না। ক্ষেতের মৌসুমে হাওরকে পানির নীচে রাখা হয়। এটা প্রকল্প পরিচালকদের ব্যর্থতা ও দুর্নীতি।

এই দুর্নীতি অপসারণ করতে মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন স্থানীয় কৃষক নেতারা।