শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জুড়ীতে সিএনজি চালক বলাই হত্যা: রহস্য উন্মোচন, মা-মেয়ে গ্রেপ্তার তাহিরপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধী বানিয়াচংয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, সিলেটে তরুণীকে হত্যা: প্রাক্তন স্বামী ও তার বন্ধুর মৃত্যুদণ্ড তালামীযে ইসলামিয়া মৌলভীবাজার সদর উপজেলা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন, জুড়ীতে পানিতে ডুবে মামাতো-ফুফাতো দুই ভাইয়ের মৃত্যু কমলগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে টমটম, চালক নিখোঁজ শ্রীমঙ্গলে ২১ বোতল ভারতীয় মদসহ ৩ জন গ্রেপ্তার জৈন্তাপুরে লরি থেকে পড়ে যাওয়া এস্কেভেটরের চাপায় চালকের মৃত্যু সিলেটে শিশুদের বলাৎকারের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক বললেন, ‘মহিলাদের ভাল্লাগে না’

সিলেটের ট্রিপল মার্ডারে গ্রেপ্তার বাবলুর বাড়ি কুমিল্লায়, তাহমিনার সঙ্গে,

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

প্রকাশিত ১৩ আগস্ট ২০২৬ সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

সিলেট নগরীর রায়নগরে ব্যবসায়ী দম্পতি ও তাদের গৃহকর্মীকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন বাবলু মিয়াকে ঘিরে তদন্তে নতুন কিছু তথ্য সামনে এসেছে। জানা গেছে, বাবলু মিয়ার বাড়ি সিলেটে নয়; তার বাড়ি কুমিল্লার চাঁদপুরে

তবে ছোটবেলা থেকেই তিনি সিলেট নগরীতে বসবাস করে আসছেন বলে জানা গেছে।

পেশাগতভাবে বাবলু কসাইয়ের কাজ করতেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে রং মিস্ত্রির কাজও করতেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকার ওই বাসায় হত্যাকাণ্ডের পর তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তারের পর বাবলুর ব্যক্তিগত জীবন ও নিহত গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে তার পরিচয় ও যোগাযোগের বিষয়টি তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। জানা গেছে, ঘটনার আগে তাহমিনার সঙ্গে বাবলুর প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিনের পরিচয় ছিল।

ইতোমধ্যে বাবলু মিয়া ও তাহমিনার কয়েকটি ছবি সামনে এসেছে। তাদের মধ্যে কী ধরনের যোগাযোগ বা সম্পর্ক ছিল, সেটি নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে তাদের সম্পর্কের প্রকৃতি কিংবা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

পুলিশের তদন্তে এসব বিষয়সহ হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ, ঘটনাস্থলে কারা যাতায়াত করেছিল এবং হত্যার সঙ্গে গ্রেপ্তার বাবলুর সম্পৃক্ততার ধরন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এর আগে বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে সিলেট নগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা থেকে ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার (৯০), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) এবং গৃহকর্মী তাহমিনার (২৫) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার পর বিকেলে সন্দেহভাজন হিসেবে বাবলু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারে অভিযান চালানোর কথা জানায় পুলিশ।

এখন তদন্তের মূল প্রশ্ন—বাবলু কীভাবে ওই বাসা ও নিহতদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং তাহমিনার সঙ্গে তার পরিচয়ের বিষয়টি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আদৌ কোনোভাবে যুক্ত কি না। এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্ত শেষ হলেই স্পষ্ট হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে বিভিন্ন দিক সামনে রেখে তদন্ত চলছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।