বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তরুণ-তরুণীর ছবি ছড়িয়ে ধর্মীয় পরিচয়ে হেনস্তার অভিযোগ, মেহমান রেস্টুরেন্টের দুই কর্মী গ্রেপ্তার মৌলভীবাজারে সীমানা পিলার ও প্রাচীন কয়েনের প্রলোভনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৪ শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ধর্মীয় শিক্ষার কথা বলে স্কুলছাত্রকে মাদ্রাসায় নেওয়ার অভিযোগ, হবিগঞ্জে শিক্ষক কারাগারে মৌলভীবাজারে দোকানের ক্যাশ থেকে ২ লাখ টাকার বেশি চুরি শ্রীমঙ্গলে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ কমলগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে পাঁচ দিন আটকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ শাহজালাল মাজারের দানবাক্সের হিসাব: এবার সব রেকর্ড ছাড়াল জুড়ীতে সিএনজি চালক বলাই হত্যা: রহস্য উন্মোচন, মা-মেয়ে গ্রেপ্তার

বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁ’ধে যুবককে কু’পি’য়ে জখম, ঢাকায় চিকিৎসাধীন,

সিলেটি চ্যানেল ২৪ রিপোর্ট

 

সিলেটি চ্যানেল ২৪ ডেস্ক রিপোর্ট ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় এক যুবককে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে।

আহত ওই যুবকের নাম আবু সুফিয়ান।

বর্তমানে তিনি রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হাসপাতালের শয্যায় যন্ত্রণাকাতর অবস্থায় আবু সুফিয়ান বলেন, “কোনো কথা নাই, খালি কোপাইছে। কারেন্টের খাম্বার সঙ্গে দুইজন বাইন্ধ্যা কুপাইছে।

আমি বলছিলাম—আমাকে মারিও না, কাটিও না—তবু কেউ শুনেনি।”

পরিবারের সদস্যদের দাবি, একটি কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে গেলে উত্ত্যক্তকারী যুবকের পক্ষ নিয়ে সুফিয়ানকে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়।

এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লাগে।
আবু সুফিয়ান এসএসসি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন এবং কৃষিকাজসহ বিভিন্ন কাজে বাবাকে সহায়তা করতেন।

তাঁর বাড়ি শিবগঞ্জ উপজেলার বাজিতপুর গ্রামে।

গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গত ২৫ ডিসেম্বর সকালে তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।

ভুক্তভোগীর দাবি, তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর অভিযোগ, হামলায় জড়িতরা জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোপাল চন্দ্র মণ্ডল জানান, আবু সুফিয়ানের বাবা রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১২ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

এরই মধ্যে আবদুর রাজ্জাক ও শাহ আলম নামের দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার আরেক আসামি বদিউর এখনো পলাতক রয়েছেন।

গ্রেপ্তার হওয়া আবদুর রাজ্জাক একটি মাদ্রাসার শিক্ষক বলেও জানান তিনি।

ছেলের এই মর্মান্তিক অবস্থায় দিশেহারা মা সুফিয়া বেগম বলেন, “বিনা দোষে আমার ছেলেকে কেন এভাবে কুপিয়ে জখম করা হলো? এর কি কোনো বিচার হবে না?

দেশে কি আইন নেই?”—এমন প্রশ্ন রেখে তিনি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।