শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সিলেটে তরুণীকে হত্যা: প্রাক্তন স্বামী ও তার বন্ধুর মৃত্যুদণ্ড তালামীযে ইসলামিয়া মৌলভীবাজার সদর উপজেলা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন, জুড়ীতে পানিতে ডুবে মামাতো-ফুফাতো দুই ভাইয়ের মৃত্যু কমলগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে টমটম, চালক নিখোঁজ শ্রীমঙ্গলে ২১ বোতল ভারতীয় মদসহ ৩ জন গ্রেপ্তার জৈন্তাপুরে লরি থেকে পড়ে যাওয়া এস্কেভেটরের চাপায় চালকের মৃত্যু সিলেটে শিশুদের বলাৎকারের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক বললেন, ‘মহিলাদের ভাল্লাগে না’ সিলেটে কিশোরীকে শিকল বেঁধে সড়কে হাঁটানোর অভিযোগ, জড়িতদের নিয়ে প্রশ্ন সিলেটে চিকিৎসক প্রান্তের মৃত্যু: নতুন বাসায় ওঠার পরদিনই মৃত্যু, উঠছে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ায় স্ত্রী-সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে হামলার শিকার শওকত, থানায় অভিযোগ,

কমলগঞ্জে হামলা মামলার আসামি শহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার,

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক

 

প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২৬
মৌলভীবাজার প্রতিনিধ,

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পূর্ববিরোধের জের ধরে হামলা, মারধর, রক্তাক্ত জখম ও ভাঙচুরের অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৭ আগস্ট) কমলগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজিব চন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মামলার ৪ নম্বর আসামি শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে মৌলভীবাজার আদালতে সোপর্দ করা হলে মামলার শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ দুপুরে কমলগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর রহিমপুর ইউনিয়নের কালেঙ্গা এলাকায় পূর্ববিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে মনির হোসেনসহ কয়েকজন আহত হন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কালেঙ্গা এলাকার বাসিন্দা সোহেল মিয়া বাদী হয়ে ২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কমলগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলায় মো. বিল্লাল হোসেনকে ১ নম্বর, তৌহিদুল ইসলামকে ২ নম্বর, জামাল হোসেনকে ৩ নম্বর এবং শহিদুল ইসলামকে ৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলায় মোট ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

মামলাটি কমলগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-০৩, তারিখ ০২/০৪/২০২৬ এবং জিআর মামলা নম্বর-৩৭/২০২৬ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাদীপক্ষের অভিযোগ, স্থানীয় একটি মসজিদের হিসাব-নিকাশকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মসজিদের হিসাব চাওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মুসল্লিদের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও ইসলামী ফাউন্ডেশনের নজরেও আসে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ওই বিরোধের ধারাবাহিকতায় কালেঙ্গা এলাকায় হামলা, মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় একটি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত করারও অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক