প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, সিলেটি চ্যানেল ডেস্ক
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বাউরবাগ এলাকা-এ ডাকাতির প্রস্তুতির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় কুখ্যাত ডাকাত সর্দার রুবেল মিয়া (৪০) ও আশরাফ হোসেন আশরাফুল (২৯)-কে গ্রেপ্তার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
[caption id="attachment_2113" align="aligncenter" width="300"]
ছবির সংগৃহীত[/caption]
পুলিশ জানায়, তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি পাইপগান ও একটি ব্যবহৃত কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে একই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ২টি আগ্নেয়াস্ত্র (পাইপগান), ২১ রাউন্ড তাজা গুলি এবং ১টি ব্যবহৃত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
ডাকাতির প্রস্তুতির ঘটনা
গত ১৩ এপ্রিল ২০২৬ রাত আনুমানিক ১০:৩০ ঘটিকায় বাউরবাগ এলাকার একটি কবরস্থানে ৬–৭ জনের একটি ডাকাত দল আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
এ সময় স্থানীয় জনতা বিষয়টি টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করলে ডাকাত দল গুলি ছোঁড়ে। এতে তাদের দলের সদস্য সৈয়দ শামসুর রহমান আতিক (৩০) গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়।
আটকের সময় তার কাছ থেকে একটি পাইপগান ও ২১ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের অভিযান
ঘটনার পর সদর মডেল থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সিলেটের সিলামসহ হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে রুবেল মিয়া ও আশরাফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।
পরবর্তীতে একই দিন ভোরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৩নং কামালপুর ইউনিয়নের উত্তর বাড়ন্তি এলাকার কলাবাগান সংলগ্ন খালপাড় থেকে একটি দেশীয় তৈরি পাইপগান ও একটি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের বক্তব্য
মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। রুবেল মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট অঞ্চলে ১১টি ডাকাতির মামলা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
তিনি আরও জানান, ডাকাত দলের অন্যান্য পলাতক সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে আহত ডাকাত সদস্য চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয় এলাকায় ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।